আপনাকে আমার ব্লগে স্বাগতম

গোপন ক্যামেরার আদিঅন্ত

এর দ্বারা পোস্ট করা Shuvo / Category:

মাত্র ২ দশক আগেও ক্যামেরা শনাক্ত করা এমন কঠিন কিছু ছিলো না, কারণ সে সময় ক্যামেরার আকার ছিলো বড়োসড়। কিন্তু চলতি দশকের শুরু থেকেই ক্যামেরার আকার ছোটো হতে শুরু করেছে। আর বর্তমানে তা এতোই ক্ষুদ্রাকৃতির হয়ে দাঁড়িয়েছে যে, ক্যামেরা কোথায় লুকানো থাকছে সেটি খুঁজে বের করাই এখন রীতিমতো কষ্টসাধ্য বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত পাঁচ বছরে গোপন ক্যামেরার ব্যবহার এতোটাই বেড়েছে যে তা এখন রীতিমত এক আতংকের নাম।

[ছবি: 54VY8.jpg]

এনালগ, ডিজিটাল এবং মোবাইল ক্যামেরা

এনালগ ক্যামেরা বা ফিল্ম ক্যামেরার যুগ প্রায় শেষই বলা চলে। ডিজিটাল ক্যামেরা বলতে এমন ক্যামেরা বোঝায়, যেগুলোতে সনাতন ফিল্ম ব্যবহৃত হয় না, বরং তার বদলে মেমরি চিপের মধ্যে ছবি ধারণ করে রাখার ব্যবস্থা থাকে। ডিজিটাল ক্যামেরার ক্ষমতা যতো মেগা পিক্সেলের, তাতে ততো বড় ছবি ধারণ করা সম্ভব হয়। শুরুর দিকে দাম বেশি থাকলেও এখন ডিজিটাল ক্যামেরা অনেকটাই সাশ্রয়ী। বাজারে এখন বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোবাইল বা স্মার্টফোন এসেছে। ডিজিটাল ক্যামেরার মতোই কাজ করে মোবাইল ক্যামেরা। বেশি ক্ষমতার মোবাইল ক্যামেরা ব্যবহার করে ছবি তোলা বা ভিডিও করা এখন অনেকটাই হাতের মুঠোয়

[ছবি: V9h2n.jpg]

সিসিটিভি কী

সিসিটিভি মথাটির পূর্ণরূপ হলো ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশন। এ প্রযুক্তিতে একটি কম্পিউটারের সঙ্গে সিসি ক্যামেরা জুড়তে ডিভিআর কার্ড প্রয়োজন পড়ে। ক্যামেরার সঙ্গে কোএক্সিয়াল কেবল দিয়ে সংযোগ দিয়েই এ ধরনের ক্যামেরা বসানো সম্ভব। কম্পিউটার থেকেই ক্যামেরার সামনে কি ঘটছে সেটি পর্যবেক্ষণ ও ধারণ করা সম্ভব।

সিসিটিভি ক্যামেরার অবশ্য রকমফের রয়েছে। কেবল শব্দ ধারণ বা ভিডিও এবং শব্দ ধারণ করার মতো ক্যামেরা রয়েছে। কিছু ক্যামেরা অবশ্য আলো ছাড়াও বস্তু শনাক্ত করে।

দ্য প্রাইভেসি ইন্টারন্যাশনাল সিসিটিভি পেজে দেয়া তথ্যানুসারে, বর্তমানে সারা বিশ্বে আড়াই কোটিরও বেশি সিটিটিভি ক্যামেরা চালু রয়েছে। এ ছাড়াও শুধু যুক্তরাজ্যে প্রতিবছর সিসিটিভি ক্যামেরায় ৪৫ কোটি ডলার খরচ হয়।

[ছবি: Bg7Uu.jpg]

গোপন ক্যামেরার খোঁজ করার প্রয়োজনীয়তা

গোপন ক্যামেরা ব্যবহৃত হয় সাধারণত প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তার খাতিরে। কিন্তু সাধারণ নাগরিক হিসেবে আপনার নিরাপত্তাই যখন সিসিটিভির কারণে ঘাটতির মুখে পড়ে তখনই গোপন ক্যামেরার খোঁজ জরুরী হয়ে পড়ে। গোপন ক্যামেরা কী ধরনের গোপন স্থানে লুকিয়ে থাকতে পারে এবং কোন পদ্ধতিতে সেটি কাজ করে তার জ্ঞান থাকাটাও দরকার। গোপন ক্যামেরা ভালো কাজে নাকি মন্দ কাজে ব্যবহার করা হবে সেটি পুরোপুরি নির্ভর করে ব্যবহারকারীর মর্জির ওপর।

ছোট ক্যামেরা সাধারণত ২৫ ডলার বা প্রায় দুই হাজার টাকার মধ্যেই কিনতে পাওয়া যায়। ক্ষুদ্র এসব ক্যামেরার ব্যবহার বৈধ নাকি অবৈধ এ বিষয়ে নেই কোনো পরিষ্কার ধারণা। আমাদের দেশে বড়ো বড়ো প্রতিষ্ঠান এবং শপিং মলগুলো নিরাপত্তার নামে ক্যামেরার যথেচ্ছ ব্যবহার করছে। এ ছাড়াও ক্যামেরার কম দাম আর ব্যবহারের সুবিধা একে সহজলভ্য পণ্যে পরিণত করেছে। গোপন ক্যামেরার ব্যবহার তাই এখন সাধারণ মানুষের মধ্যেও। আর এ আগুনে আরো ঘি ঢেলেছে মোবাইল ক্যামেরা।

ক্যামেরার যথেচ্ছ ব্যবহার এখন প্রায়শই আইন ভঙ্গের নানা কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। প্রায় ক্ষেত্রে ক্যামেরায় ছবি তোলার মাধ্যমে ইভ টিজিং-এর মতো ঘটনা ঘটছে। এসব ক্যামেরা চালাতে কোনো বিশেষজ্ঞ হওয়ার প্রয়োজন নেই। তাই পাবলিক প্লেস বা হোটেলের একান্ত কক্ষেও ঢুকছে ক্ষুদ্র ক্যামেরা। শাওয়ারের মধ্যে ক্যামেরা লুকিয়ে রাখা, বেডরুম বা কাপড় পরিবর্তন করার রুমে ক্যামেরা লুকিয়ে রাখার ঘটনাও ঘটছে।

ক্যামেরা কোথায় লুকিয়ে রাখা হচ্ছে এটা জানা সম্ভব হলে ক্যামেরা অপারেটরের কাজটা একটু কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। একটি পরিসংখ্যান বলছে, বৈধভাবে লাগানো সিসিটিভি ক্যামেরাতেও নারীদের ছবিগুলোকে অসৎ উদ্দেশ্যে কাজে লাগান কর্তৃপক্ষ। এক্ষেত্রে শতকরা ১৫ ভাগ ক্ষেত্রেই বৈধভাবে স্থাপন করা গোপন ক্যামেরার ছবি নিজেদের উদ্দেশ্য সাধনে ব্যবহার করে ক্যামেরা অপারেটর।

ব্যক্তিগত নিরাপত্তা এবং স্বাধীনতার জন্যই গোপন ক্যামেরার অবস্থান খুঁজে বের করাটা জরুরী। এক্ষেত্রে ইচ্ছা না থাকলেও পরবর্তীতে বিড়ম্বনার মুখে পড়তে হতে পারে। প্রথম কারণটি হচ্ছে ফেস রিকগনিশন সফটওয়্যারের ব্যবহার। গোপন ক্যামেরায় তোলা ছবিটি কার, এ সফটওয়্যার সেটি সহজেই ধরে দেয়। তারপর ব্ল্যাকমেইলিং-এর মতো কাজেও সেটির ব্যবহার হতে পারে। এ সফটওয়্যারটির ব্যবহার এখন তাই বেশ সমালোচনার মুখেই পড়েছে। ক্যামেরা এ সফটওয়্যারের সঙ্গে জুড়ে দেয়া আছে কিনা সেটি ধরার কোনো উপায় নেই। তাই সিসিটিভি ক্যামেরায় কি ছবি তোলা হবে সে বিষয়ে নির্দেশনা জরুরী।

[ছবি: HS0DR.jpg]

ক্ষুদে ক্যামেরা:

বর্তমানে ক্যামেরার আকার এতোটাই ছোটো হয়ে দাঁড়িয়েছে যে, এর ট্রাস্টমিটার , ব্যাটারিসহ পুরো সিস্টেমটি একটি ম্যাচ বা সিগারেটের বাক্সেই ধরে যাবে। সুইজারল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি অফ নিউচাতেল-এর দ্য ইনস্টিটিউট অফ মাইক্রোটেকনোলজি সিএমওস প্রযুক্তির এমন একটি ক্যামেরা তৈরি করেছে যা একটি কলমের মধ্যেই আটকে থাকে। যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানি গিভেন এমন একটি ক্যামেরা তৈরি করেছে ‘ইনজেস্টিগেবল ইমাজিং ক্যাপসুল’। এ ডিভাইসটি চিকিৎসা কাজের জন্য তৈরি হলেও এটি এতোটাই ক্ষুদ্র যে হজমও হয়ে যেতে পারে। এ ক্যামেরাটিতে আবার কালার ক্যামেরা, ব্যাটারি এবং ট্রান্সমিটারও রয়েছে।

বিভিন্ন কোম্পানি নানারকম গোপন ক্যামেরা তৈরি করছে। আর এ গোপন ক্যামেরাগুলো এমনভাবে তৈরি করা হয়, যাতে সহজে চোখে না পড়ে। ক্ষুদে এ গোপন ক্যামেরায় মোশন অ্যাক্টিভেটেড রেকর্ডিং করা যায়। এসব ক্যামেরা আবার থাকে ফিচার ভর্তি। এরকম কয়েকটি ক্যামেরা হচ্ছে শাওয়ার রেডিও স্পাই ক্যাম, টিস্যু বক্স স্পাই ক্যাম, লাইট সুইচ স্পাই ক্যাম, এয়ার পিউরিফায়ার স্পাই ক্যাম, পেন স্পাই ক্যাম, অ্যালার্ম ক্লক হিডেন ক্যামেরা, সিডি প্লেয়ার হিডেন ক্যামেরা, ডিজিটাল ডেস্ক ক্লক, বাইনোকুলার, ফুলদানী এবং শোপিস আকারের ক্যাম, কম্পিউটার স্পিকার, বোতাম ক্যামেরা, মিরর হিডেন ক্যাম, মনিটর, ছোটো ম্যাচ বাক্স, ক্লিপ ক্যামেরা, হ্যান্ডব্যাগ ক্যামেরা ইত্যাদি। বিভিন্ন আকারের ক্ষুদে এসব ক্যামেরা এখন হাতের নাগালেই।


[ছবি: x4M2d.jpg]

ক্যামেরা লেন্স শনাক্তের উপায়:

ইলেকট্রনিক বা বৈদ্যুতিক ক্যামেরাগুলো সবচেয়ে জটিল তাই এ ক্যামেরা থেকেই সচেতনতা সবচেয়ে জরুরী। এ ক্যামেরাগুলো অপারেট করাও সহজ, আবার এগুলো গোপনে রিয়েল টাইমে তথ্য পাঠাতে পারে। এর মধ্যে ফিল্ম পরিবর্তনের ঝামেলাও নেই। আগের বড়ো ক্যামেরার কাজ ছিলো পিকচার টিউব ভিত্তিক। এ ধরনের ক্যামেরার অসুবিধা হচ্ছে- এগুলো গোপন ক্যামেরা হিসেবে অতোটা কার্যকর নয়। তবে, এ ক্যামেরাগুলো পুরোনো শোপিস আকারে লাগানো থাকতে পারে। এ ক্যামেরা তাই সহজেই শনাক্ত করা যায়। সবচেয়ে জটিল হয়ে দাঁড়ায় লেন্স বা ফাইবার অপটিক-এর ক্ষেত্রে। এ লেন্স লুকানো হয় যেকোনো আড়ালেই। ছোটো বোতাম থেকে শুরু করে যেকোনো স্থানেই এটি জুড়ে দেয়া সম্ভব। এ লেন্সের গায়ে নন-কনডাকটিভ মেটাল জুড়ে দিলে মেটাল ডিটেক্টরেও এটি ধরা পড়ে না। তবে, এ ক্যামেরাগুলোর ক্ষেত্রে নখ, স্ক্রু বা বোতাম আকারের কোনো জিনিস আড়াল করে রাখে। যদি কোনো মিরর যা আয়নাকে গোপন ক্যামেরা বলে সন্দেহ জাগে সেটি স্পর্শ করলেও ক্যামেরার অস্তিত্ব রয়েছে কিনা টের পাওয়া যাবে।

[ছবি: vvndl.jpg]

ক্যামেরা লুকানোর স্থানগুলো:


ক্যামেরা লুকানোর কিছু জনপ্রিয় স্থানও রয়েছে। এসব স্থান ভালো করে পর্যবেক্ষণ করেই ক্যামেরা লুকানোর স্থানটি খুঁজে বের করা সম্ভব। প্রথম ধারণা হলো- কি কারণে এবং কোথায় লুকানো হতে পারে? ক্যামেরা সাধারণত লুকানো হয় মাথার ওপরে বা ফেস লেভেল বরাবর। ক্যামেরা কোথায় লুকানো হচ্ছে সেটি ক্যামেরার ভাগ লক্ষ্য করলেই বোঝা যাবে। ক্যামেরা সাধারণ ডেস্ক বা নিচের দিকেও লুকানো হতে পারে। তবে, প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম অনুসারেই গোপন ক্যামেরার ব্যবহার হতে পারে।

[ছবি: 99hjb.jpg]

গোপন ক্যামেরায় ছবি ধারণ করা হলে করণীয়:

কেউ যদি মনে করেন তার ছবি গোপন ক্যামেরায় ধারণ করা হয়েছে তবে তার প্রথম কাজ হবে নিকটস্থ আইনশৃক্সখলা রক্ষাকারী কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করা। বাংলাদেশে থানায় অভিযোগ করতে পারেন বা নিকটস্থ র‌্যাব অফিসে যোগাযোগ করে আপনার অভিযোগ জানাতে পারেন

সবচেয়ে প্রয়োজন সচেতনতা

বর্তমান সময়ে মোবাইল ক্যামেরা এবং ডিজিটাল ক্যামেরার ব্যবহার বেড়ে গেছে। এখন অজান্তেই কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে ছবি তুলতে পারে। এ ছাড়াও শপিং মল, বিভিন্ন ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠানষ্ঠানে গোপন ক্যামেরা ব্যবহারের খবর পাওয়া যাচ্ছে। এসব ক্যামেরা থেকে রক্ষা পাবার সবচেয়ে বড়ো উপায় হচ্ছে সচেতনতা আর প্রযুক্তির জ্ঞান। গোপন ক্যামেরা বিষয়ের সচেতন থাকুন। অন্ধকার নয় আলোয় উদ্ভাসিত হোক জীবনের প্রতিটি মুহুর্ত।

সূত্র

এ সপ্তাহের সেরা প্রযুক্তি পন্য

এর দ্বারা পোস্ট করা Shuvo / Category:

প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে নতুন নতুন গ্যাজেট তৈরি করে চলেছে। পুরো অক্টোবর মাস ছিলো প্রযুক্তিবিশ্বের জন্য ঘটনাবহুল একটি মাস। আইফোন ৪ এস ঘোষণা দেবার একদিন পর এ মাসের ৫ তারিখে স্টিভ জবসকে প্রযুক্তিবিশ্ব হারিয়েছে। তার মৃত্যুতে পুরো সপ্তাহ জুড়ে নতুন গ্যাজেটের খবর তেমন ছিলো না। তার মৃত্যুর পর ১০ দিন পর থেকেই আবারো শুরু হয়েছে প্রযুক্তিপণ্য বাজারে আনার তোড়জোড়। চলতি সপ্তাহটি ছিলো তার মধ্যে একটি ঘটনাবহুল সপ্তাহ। এ সপ্তাহের গ্যাজেটগুলো নিয়েই এবারের স্পেশাল আয়োজন।


অক্টোবর মাসের চলতি সপ্তাহটি প্রযুক্তি বিশ্বের জন্য একটি বিশেষ সপ্তাহ ছিলো। এ সপ্তাহে প্রযুক্তি দুনিয়ায় অনেকগুলো নতুন গ্যাজেটের সঙ্গে পরিচয় ঘটেছে। এ সপ্তাহের গ্যাজেটগুলো নিয়েই এবারের স্পেশাল আয়োজন।

[ছবি: oykb7.jpg]

মাইক্রোসফট এক্সবক্স ৭২০

পরবর্তী প্রজন্মের গেমিং কনসোল হিসেবে চলতি সপ্তাহে মাইক্রোসফটের একবক্স-এর নতুন একটি মডেলের খবর রটেছে। নতুন এ গ্যাজেটটির নাম হবে এক্সবক্স ৭২০। ২০১৩ সালের ই৩ মেলায় এ গ্যাজেটটির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেবে মাইক্রোসফট। খবর রটেছে, এক্সবক্স গেমিং কনসোলের জন্য প্রসেসর এবং প্রয়োজনীয় চিপ তৈরির কাজে হাত দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। নতুন এ এক্সবক্স ডিভাইসটি দেখতে অনেকটাই এলিয়েন বা ভিনগ্রহের কোনো নভোযানের মতো হবে বলেই নকশাবিদরা আভাস দিয়েছেন।

[ছবি: 68YGs.jpg]

সনি পিএস৪

চলতি সপ্তাহে আরো একটি গেমিং কনসোল বাজারে আসার খবর পাওয়া গেছে। খবর রটেছে, ইলেকট্রনিক জায়ান্ট সনি পিএস৪ নামে একটি গেমিং কনসোল তৈরি করছে। ২০১৩ সাল নাগাদ এ ডিভাইসটি বাজারে আসবে। পিএস৪ ছাড়াও এ ডিভাইসটির পঞ্চম এবং ষষ্ঠ সংস্করণ নিয়েও সনি কাজ শুরু করেছে বলে খবর রটেছে। ইলেকট্রনিক জায়ান্ট সনি তাদের প্লেস্টেশন৪-এর জন্য নতুন গেম তৈরি করছে বলেও খবর চাউর হয়েছে। সনি’র তৈরি এ গেম তৈরির কাজ এখনও প্রাথমিক পর্যায়েই রয়েছে। বর্তমানে প্লেস্টেশন এর তৃতীয় সংস্করণটি বাজারে রয়েছে।

[ছবি: bcZNd.jpg]

আইসক্রিম স্যান্ডউইচচালিত গ্যালাক্সি নেক্সাস

অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের চতুর্থ সংস্করণের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে গুগল। নতুন এ অপারেটিং সিস্টেমটির নাম দেয়া হয়েছে আইসক্রিম স্যান্ডউইচ। বলা হয়েছে, এই অপারেটিং সিস্টেমটি ইউনিভার্সাল বা সবার জন্যই এক অপারেটিং সিস্টেম। কারণ, এটি মোবাইল ফোন, ট্যাবলেট কম্পিউটার, টেলিভিশন, ল্যাপটপসহ সব ধরনের ডিভাইসেই কাজ করবে। আইসক্রিম স্যান্ডউইচচালিত প্রথম স্মার্টফোন এ সপ্তাহেই বাজারে এনেছে স্যামসাং। এ ডিভাইসটির নাম গ্যালাক্সি নেক্সাস। নতুন হ্যান্ডসেট লঞ্চ করা হচ্ছে ১৯ অক্টোবর। স্যামসাং কর্তৃপক্ষ গুগলের অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমচালিত ‘গ্যালাক্সি নেক্সাস’ এবং ‘গ্যালাক্সি প্রাইম’ নামের দুটি ডিভাইস আনতে পারে বলে আগেই খবর রটেছিলো। গ্যালাক্সি নেক্সাস হ্যান্ডসেটটিতে রয়েছে ৪.৬৫ ইঞ্চি বাঁকানো এইচডি সুপার এমোলিড ডিসপ্লে, ১.২ গিগাহার্টজ ডুয়াল কোর কর্টেক্স এ-৯ প্রসেসর, ১ গিগাবাইট র‌্যাম এবং পেছনে ৫ মেগাপিক্সেল ও সামনের দিকে ১.৩ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। কম্পিউটার নির্মাতা আসুসও চলতি সপ্তাহে ট্রিপল-ই প্যাড টান্সফর্মার ট্যাবলেট শিগগিরই আইসক্রিম স্যান্ডউইচ অপারেটিং সিস্টেমে আপগ্রেড করা হবে বলে জানিয়েছে।


[ছবি: sj8s0.jpg]

মটোরোলা ড্রয়েড রেজর

বিশ্বের সবচেয়ে পাতলা স্মার্ট ফোন এনেছে মটোরোলা। ‘ড্রয়েড রেজর’ নামের এ ফোনটির বিষয়ে মটোরোলা বলছে, এটি ‘অসম্ভব পাতলা’ যাতে রয়েছে স্টেইনলেস স্টিল কোর, গরিলা গ্লাস স্ক্রিন এবং ন্যানোপ্রযুক্তির স্প্লার্স গার্ড যা ভিতরের ইলেকট্রিক বোর্ডকে রক্ষা করে।

এ ফোনটি মাত্রই ৭.১ মিলিমিটার পুরু। ৪.৩ ইঞ্চি স্ক্রিন সাইজের এ ফোনটি সুপার অ্যামোলিড ডিসপ্লের। ১.২ গিগাহার্জ প্রসেসর বিশিষ্ট এ মোবাইল ফোনে নেটফ্লিক্স থেকে এইচডি মুভি ডাউনলোড করা যাবে। অ্যান্ড্রয়েড জিঞ্জারব্রেড অপারেটিং সিস্টেমচালিত মটোরোলা রেজরে রয়েছে ওয়েবটপ ইন্টারফেস। উন্নত ব্যাটারি সুবিধার এ ডিভাইসটি বেশি শব্দ বা কম শব্দের স্থানগুলোতে স্বয়ংক্রিয় ভাইব্রেশন মোডে চলে যায়। ফলে অনাকাক্সিখত ঘটনা এড়ানো যায়। এ ফোনটির বিশেষ ফিচার হচ্ছে মটোকাস্ট’ যা সরাসরি কম্পিউটার থেকে সিনক্রোনাইজ করার সুবিধা দেয়।

[ছবি: w6whp.jpg]

লাইট্রো লাইট ফিল্ড ক্যামেরা

সিলিকন ভ্যালির নতুন ক্যামেরা নির্মাতা প্রতিষ্ঠান লাইট্রো তাদের কোম্পানির নামেই একটি নতুন ডিজাইনের ক্যামেরা আনছে। নতুন এ ক্যামেরার ডিজাইন একেবারে আলাদা। লাইট্রো কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, লাইট্রো ক্যামেরায় আগে ছবি উঠিয়ে পরে ফোকাস ঠিক করে নেয়ার প্রযুক্তি রয়েছে। এ প্রযুক্তিতে ছবি ওঠানোর সময় ক্যামেরা পুরো লাইট-ফিল্ড রেকর্ড করে রাখে। পরে সেখান থেকে ফোকাস ঠিক করে নেয়া সম্ভব।

ক্যামেরাটি বাইরে থেকে দেখতে মসৃন, দুই টোনবিশিষ্ট ৪.৪ লম্বা এবং ১.৬ বর্গইঞ্চির একটি বাক্স। এ ক্যামেরাটির এক পাশে রয়েছে লেন্স আর অপর পাশে এলসিডি টাচ-স্ক্রিন ডিসপ্লে। আর বাক্সের পাশগুলোতে রয়েছে পাওয়ার এবং শাটার বাটন, ইউএসবি পোর্ট টাচ-সেনসিটিভি স্ট্রাইপ যার মাধ্যমে লেন্সকে ৮এক্স পর্যন্ত জুম করা যাবে। আগামী বছর তিনটি মডেলে বাজারে আসবে লাইট্রো ক্যামেরা। দাম পড়বে ৩৯৯ ডলার।

[ছবি: kWOm1.jpg]

রিমের বিবিএক্স অপারেটিং সিস্টেম

ব্ল্যাকবেরি স্মার্টফোন নির্মাতা রিসার্চ ইন মোশন (রিম) তাদের ডিভাইসগুলোর জন্য নতুন অপারেটিং সিস্টেম বাজারে আনার কথা জানিয়েছে চলতি সপ্তাহে। নতুন এ অপারেটিং সিস্টেমের নাম দেয়া হয়েছে বিবিএক্স। স্যান ফ্রান্সিসকোতে অনুষ্ঠিত ব্ল্যাকবেরি ডেভকোন কনফারেন্সে নতুন এই অপারেটিং সিস্টেমের ঘোষণা দেয়া হয়েছে। বিবিএক্স অপারেটিং সিস্টেম ব্ল্যাকবেরি হ্যান্ডসেট এবং ট্যাবলেটের পাশাপাশি ব্ল্যাকবেরি ক্লাউড সার্ভিসেও যোগ হবে। রিম কর্তৃপক্ষ বলছে, বিবিএক্স হবে পরবর্তী প্রজন্মের অপারেটিং সিস্টেম যাতে অ্যাডোবি এয়ার/ফ্ল্যাশ, এইচটিএমএল, ব্ল্যাকবেরি রানটাইমের মতো বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন চলবে। ‘নেটিভ এসডিকে’ নামের একটি অ্যাপ্লিকেশন উন্মুক্ত করছে রিম যার মাধ্যমে এই অপারেটিং সিস্টেমের জন্য ডেভেলপাররা বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন তৈরির সুযোগ পাবেন।

[ছবি: neLIJ.jpg]

অমনিটাচ প্রযুক্তি

চলতি সপ্তাহে মাইক্রোসফটের রিসার্চ প্রকল্পের গবেষকরা এমন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন যাতে যেকোনো পৃষ্ঠকেই টাচস্ক্রিন হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। নতুন প্রযুক্তিতে টাচস্ক্রিন হিসেবে ব্যবহারের জন্য বিশেষ ধরনের ‘টাচ সেনসিটিভ’ স্ক্রিনের প্রয়োজন পড়বে না বরং যেকোনো পৃষ্ঠ থেকেই টাচস্ক্রিন প্রযুক্তির সুবিধা নেয়া যাবে। ক্যালিফোর্নিয়ায় অনুষ্ঠিত মাইক্রোসফটের ইউজার ইন্টারফেস সফটওয়্যার অ্যান্ড টেকনোলজি (ইউআইএসটি-২০১২) সিম্পোজিয়ামে এ প্রযুক্তি দেখানো হয়েছে। প্রযুক্তিটির নাম দেয়া হয়েছে ‘অমনিটাচ’। প্রযুক্তিটি নিত্যব্যবহার্য যেকোনো কঠিন পৃষ্ঠকেই টাচস্ক্রিন হিসেবে ব্যবহার করতে পারে। এ প্রযুক্তিটি লেজারভিত্তিক পিকো প্রজেক্টর এবং ডেপথ সেন্সিং ক্যামেরা ব্যবহার করে তৈরি। ডেপথ ক্যামেরার প্রটোটাইপ তৈরি করেছে ক্যামেরা নির্মাতা প্রাইমসেন্স। যখন ক্যামেরা এবং প্রজেক্টর একসঙ্গে কাজ করে তখন টাচস্ক্রিন প্রযুক্তি যেকোনো পৃষ্ঠেই শনাক্ত করতে পারে।

সূত্র

▓▒░ প্রেমে পড়ার কিছু লক্ষণ ░▒▓

এর দ্বারা পোস্ট করা Shuvo / Category:





১. তুমি SOFT & SLOW SONG শুনবে।
২. তুমি তার নাম যেখানে দেখবে সেখানেই দাড়িয়ে পরবে।
৩.FRIEND রা তাকে নিয়ে খুচালে তুমি রাগবে না।
৪. তুমি রাস্তাতে উদাস হয়ে আস্তে আস্তে হাটবে।
৬.তোমার বৃষ্টিতে ভিজতে ভাললাগবে।
৭.তোমার প্রকৃতি দেখতে ভাললাগবে।
৮. তুমি বুঝতেই পারবে না যে,এই STATUS এর ৫ম পয়েন্টটা মিস হয়েছে।
৯. এবার মনে মনে হাসবে আর ভাববে
১০.এবার ভাববে STATUS টা তোমার WALL এ SHARE করা যায় কিনা।

একসাথে একাধিক প্রেম চালিয়ে যাওয়ার সহজ ও নিরাপদ তরিকা

এর দ্বারা পোস্ট করা Shuvo / Category:





প্রাক কথনঃ
নেটে পড়ছিলাম হ্যাকিং-এর টিউটোরিয়াল। এক যায়গায় লেখা দেখলাম "হ্যাকিং থেকে বাচার সব চেয়ে কার্যকর উপায় হলো হ্যাকিংটাই শিখে ফেলা।"
কথাটা পড়ার পরেই মনে হলো কম্পিউটার হ্যাকিং এর চেয়েও ভয়াবহ এক রকম হ্যাকিং আছে। সেটা হলো "মন হ্যাকিং"। বলা হয়ে থাকে hacking is not a crime. হ্যা। কম্পিউটার হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে কথাটা যায়। কিন্তু মন হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে এটা যায় না। বরং এই হ্যাকিংটা হচ্ছে পৃথিবীর নিকৃষ্টতম ও জঘন্যতম পাপ।

যাই হোক, অই লাইনটার মতো করে বলি, "মন হ্যাকিং থেকে বাচার সব চেয়ে কার্যকর উপায় হলো নিজেই মন হ্যাকিং শিখে ফেলা"।
এই পোস্ট-টা আসলে লেখা হয়েছে এই দৃষ্টিকোন থেকেই।
তাহলে শুরু করা যাক আমাদের টিউটোরিয়াল।


মালটিপল রিলেশন কি?
উত্তরঃ মান ও হুশ-এর অভাবে একই সময়ে একাধিক ছেলে/মেয়ের সাথে প্রেম চালিয়ে(প্রতারনার সাথে) যাওয়াকে বলা হয়ে থাকে মালটিপল রিলেশন।
উদাহারণঃ মেয়ে ১ প্রেম করছে ছেলে ১ এর সাথে। হঠাৎ করে মেয়ে ১ ছেলে ২ এর সাথে প্রেম করা ডেটিং-এ যাওয়া শুরু করলো। এই অবস্থাকে বলা হয়ে থাকে মাল্টিপল রিলেশন।

কেনো মানুষ মাল্টিপল রিলেশনে জড়ায়ঃ
১। পার্সোনালিটি ডিজঅর্ডার।
২। যথাযথ পারিবারিক শিক্ষার অভাব।
৩। নৈতিক শিক্ষার অভাব।
৪। বিকৃত মানষিকতা।
৫। চারিত্রিক অধঃপতন।

প্রথম ধাপঃ
এই ধাপে আপনাকে কিছু ব্যাপার একদম ঝেড়ে ফেলে দিতে হবে। ব্যাপারগুলো হলোঃ
> আত্মসম্মানবোধ
> মনুষত্ব
> বিবেকবোধ
> মান+হুশ
> লজ্জা



দ্বিতীয় ধাপঃ
এই ধাপে আপনাকে কিছু ব্যাপার অর্জন করতে হবে। ব্যাপারগুলো হলোঃ
> পৈশাচিকতা
> মিথ্যা বলার অপূর্ব ক্ষমতা
> প্রতারণা করতে একটুও কেপে উঠেনা এরকম একটা হার্ট
> অসম্ভবরকম চতুর বুদ্ধি
> কান্নাকাটি করার ক্ষমতা(মেয়েদের ক্ষেত্রে)
> স্ট্রিক্টলি কিছু বলে ফেলার ক্ষমতা(ছেলেদের ক্ষেত্রে)
> অভিনয় করার অপূর্ব গুন।
> ইমোশোনালী ব্ল্যাকমেইল করায় অসম্ভব দক্ষতা।
> ভন্ডামি।

পার্টনার নির্বাচন-
এই ধাপে আপনাকে নিচের সতর্কতাগুলো অনুসরণ করত হবে।
> প্রথমেই নির্বাচন করুন দু-জন ভালো মানুষ।
> কারণ ভালো মানুষরা সবাইকে ভালো মনে করে।
> আপনার মতো কুৎসিত চিন্তাভাবনার কেউ হলে সমস্যা। পার্টনার কুৎসিত/লম্পট হলে আপনার লাম্পট্যও(সরি, আপনার জন্য এর চেয়ে সভ্য কোন শব্দ আমি খোজে পাচ্ছি না) ধরা পড়ার চান্স থাকবে বেশি।




বাড়তি সতর্কতা
> দুজন পার্টনার যাতে একে অপরের পরিচিত না হয়।
> পরিচিত হলে বিরাট বিপদ। এ ক্ষেত্রে এমন ব্যাবস্থা করুন যাতে তাদের দুজনের দেখা বা কথা না হয়।

জটিলতা মোকাবেলা
এই ধাপটা হচ্ছে সব চেয়ে ভয়ংকর ও গুরত্বপূর্ন ধাপ। এই ধাপের নির্ভর করছে অনেক কিছু।
স্বাভাবিকভাবেই দুই পার্টনারের কাছ থেকে শুনবেন অসংখ্য প্রশ্ন। এই ধাপে আপনাকে কমন কিছু প্রশ্ন ও সেইসব প্রশ্নের উত্তর সম্পর্কে ধারণা দেয়া হলোঃ


প্রশ্নঃ ঐ ছেলে/মেয়ের সাথে তোমার এতো কি?
উত্তরঃ ঐ ছেলে/মেয়ে আমার ফ্রেন্ড। বেস্ট ফ্রেন্ড। মহা আপনা বান্ধব।(কন্ঠে কনফিডেন্স ঝরে পড়বে)

প্রশ্নঃ তোমার বয়/গার্ল ফ্রেন্ডের থেকে ঐ ছেলে/মেয়েকে প্রাধান্য দিচ্ছো কেনো?
উত্তরঃ তোমার কারনে আমি একটা ফ্রেন্ডশিপও রাখতে পারবো না? ছিহহহ(হ এর উপর জোর দিন)। তুমি এতো খারাপ? তোমার মন এতো ছোট?(আহা! আপনার মন বিরাট বড়। এক মনে কতোজনকে যায়গা দিতে পারেন। মাশআল্লাহ!)

প্রশ্নঃ ঐ ছেলে/মেয়েকে আমাদের রিলেশনের কথা জানাচ্ছো না কেনো?
উত্তরঃ আমি কেনো তাকে আমার ব্যাক্তিগত ব্যাপারে জানাবো?(উলে বাবা!)

প্রশ্নঃ দুনিয়ার সবাইকে জানাচ্ছো। ওকে জানাতে সমস্যা কি?
উত্তরঃ কান্নাকাটি(কারণ এই প্রশ্নের উত্তর আপনার কাছে নেই)

প্রশ্নঃ ঐ ছেলে/মেয়ের সাথে যোগাযোগ কমাবা?
উত্তরঃ কমাবো।(হা হা!)
স্বাভাবিকভাবেই আপনি যোগাযোগ কমাতে পারবেন না। তখন আবার প্রশ্নের মুখোমুখি হবেন।


প্রশ্নঃ তুমি কাকে চাও? আমাকে না তোমার ফ্রেন্ডকে?
উত্তরঃ ছিহ। তুমি আমাকে সন্দেহ করো? (ন্দ এর উপর জোর দিয়ে)

প্রশ্নঃ প্লিজ, সব কিছু ক্লিয়ার করো। আমি পেইনে আছি।
উত্তরঃ তুমি আমাকে লম্পট/প্রস্টিটিউট মনে করো?(খেয়াল করে দেখুন। আপনি নিজেই কিন্তু নিজেকে লম্পট/প্রস্টিটিউট হিসেবে স্বিকৃতি দিচ্ছেন। হা হা হা)

প্রশ্নঃ ঐ ছেলে/মেয়ের সাথে ফোনে কথা হয় তোমার?
উত্তরঃ নাহ। ওকে আমি ব্লক করবো পরে। টাকা ভরে নেই ফোনে।(আরে ধুর। ব্লক করতে হবে না। টাকা ভরে আবার রোমান্টিক কথোপকথন শুরু করবেন। ব্লক করতে যাবেন কেনো?)


এক পর্যায়ে দুই পার্টনারই আপনাকে চাপ দিবে। ফেসবুক ফ্রেন্ডলিস্ট থেকে তৃতীয় ছেলে/মেয়েকে বাদ দেয়ার জন্য।
এই ধাপটার আপনার জন্য বড় একটা চ্যালেঞ্জ। আপনি কাকে বাদ দিবেন?
সিদ্ধান্ত নিন নিচের ব্যাপারগুলো উপর ভিত্তি করে।
- কে আপনার জন্য বেশি ডেডিকেটেড?
- কে আপনি যাই করবেন তা মেনে নিবে?
- কে আপনার সব অন্যায় দেখেও বেশিরভাগ সময় বিশ্বাসের উপর জোর দিয়ে ভুলে যায় সব?
- কাকে আপনি সব চেয়ে ইজিলি ইউজ করতে পারেন?
উত্তর যার পক্ষে যাবে তাকেই ফ্রেন্ডলিস্ট থেকে কাটুন।

পরবর্তিতে যুক্তি দেখানঃ
- এই জানো? আমার ভাইয়া না আমার ফেসবুক মনিটরিং করে।
- তুমি আমাকে লাইফে চাও নাকি ফেসবুকে চাও?
- ছিহ! আমাকে পাওয়ার জন্য ফেসবুক থেকে কাটতে পারবা না? এই তোমার ভালোবাসা?
কি বললেন? জঘন্য মিথ্যা আর প্রতারনার জন্য তীব্র অপরাধবোধ সৃষ্টি হবে? আরে ধুর। "অপরাধবোধ" শব্দটা কেবল মানুষের সাথেই যায়। সৌভাগ্যজনকভাবে আপনি এটা অনুভব করে কষ্ট পাবেন না। কারণ আপনার মাঝে ন্যুনতম মনুষত্বও নেই(সরি টু স্যা)।

মোবাইল সংক্রান্ত ঝামেলাঃ
যেহেতু একসাথে একাধিক প্রেম করছেন তাই বিভিন্ন সময় আপনাকে ফোনে কথা চালিয়ে যেতে হবে। কল ওয়েটিং কিংবা বিজি রাখলে সমস্যা হতে পারে। তাই বিজি ডাইভার্ট করে রাখুন।
এক পার্টনারের সাথে কথা বলার সময় অন্য পার্টনার ট্রাই করবে। পরবর্তিতে প্রশ্নের সম্মুখিন হবেন। সমস্যা নেই। উত্তর আছে রেডিমেইড।
- আরে ধুর! মা ফোন করেছিলেন।
- কথা বলছিলাম ফুপাতো বোনের চাচার ছোট মেয়ের দাদার আপন ছেলের সাথে(প্রায় ঘন্টা খানেক কথা বলছিলেন কিন্তু)
- আমার টিচার ফোন করেছিলেন।
- নোট বুঝে নিচ্ছিলাম।
ইত্যাদি ইত্যাদি...।


ডেটিং সংক্রান্ত ঝামেলাঃ
যেহেতু দুই যায়গায় করছেন প্রেম সেহেতু ডেটিং-এও যেতে হবে। একজনের সাথে ডেটিং-এ যাওয়ার পর অন্যজনকে বুঝ দিতে পারেন এভাবেঃ
- এই আজকে না আব্বুর অফিসে যাবো। তুমি এর মাঝে আমাকে ফোন দিও না।
- এখন যাবো অগ্রনী ব্যাংকে। ওখানে ক্রেডিট কার্ড সংক্রান্ত ঝামেলা আছে কিছু আমার।
- একটু শপিং-এ যাচ্ছি।
- বাংলাদেশ ব্যাংকে যাবো। কাজ আছে।

নির্লজ্জ্বতা আর নষ্টামীর সব সীমা অতিক্রম করুন এভাবেঃ
- এক পার্টনারকে বলুন অন্য পার্টনার আপনার রিলেশনে ঝামেলা করছে।
- এক পার্টনারের কাছ থেকে এস এম এস নিয়ে অন্য পার্টনারকে খুশি করুন।
- ফেসবুকে অপেনলি চালিয়ে যান দুইটা প্রেম।
- কেউ কিছু বললে চোখ বন্ধ করে অস্বীকার করুন সব।

আনুসাঙ্গিক ঝামেলা মোকাবেলাঃ
ফেসবুকে আপনার লাম্পট্য দেখবে অনেকেই। পার্টনারের ভাই ব্রাদাররা সেটা দেখে আপনাকে ভালো রকম সন্দেহ করবে। অনেকে বলবে অনেক কথা। আপনার ওসব গায়ে মাখলে চলবে না। হাজার হোক আত্মসম্মানবোধ তো আপনার নেই! যাই হোক এই পরিস্থিতি ট্যাকল করবেন এভাবেঃ
- ও আমাকে এরকম কথা বললো। আমি নাকি দুইটা প্রেম করি। ওকে ব্লক করো।
- তোমার সাথে রিলেশন রাখবো না। তোমার পরিচিতরা আমাকে নিয়ে কথা বলে।
সোজা কথা যতরকম মিথ্যা বলা যায় বলে যেতে হবে।


ইমোশোনাল ব্ল্যাক মেইল
ইমোশোনাল ব্ল্যাকমেইল একটা গুরত্বপূর্ন পর্যায়। এ পর্যায়ে বলতে পারেন নিচের কথাগুলো।
- আমার ভালোবাসা যদি সত্যি হয়ে থাকে তাহলে আমি টেরাকের নিচে লাফ দিমু।
- আজই আমি হাত কেটে ফেলবো। আউউউউউউউউউ... কেটে ফেলেছি তিন চতুর্থাংশ।(এই হাত আবার আপনাকে আবার পরের দিন কাটতে হবে কিন্তু। এক হাত যে কয়বার কাটতে হবে! আল্লাহ মালুম।)
- আমার জ্বর। আহা। উহু। সারারাত তোমার কথা চিন্তা করি।
- আমি কি তোমাকে কম ভালোবাসছিলাম?
- আমি ছাদ থেকে লাফ দেবো।


অভিনয়ঃ
এই ধাপটাও গুরত্বপূর্ন। কারণ যা সত্যি সেটাকে প্রমান করতে হয় না। যা মিথ্যা সেটাকেই প্রমান করতে হয়। আসুন কিছু অভিনয় শিখে নেই।
- আপনি ইচ্ছামতো অন্যের সাথে ডেটিং-এ যাচ্ছেন। সেটা কোন সমস্যা না। কিন্তু আপনার পার্টনারের মাঝে সন্দেহজনক(আসলে সেটা কিছুই নয়, আপনি নিজেও জানেন সেটা। অথবা এমনও হতে পারে, আপনি নিজে যেমন সবাইকে তাই মনে করেন) কিছু দেখলে সেটাকে চেপে ধরুন। তিলকে বানিয়ে ফেলুন তাল। ওটা নিয়ে প্যাচাতে থাকুন। কৃতৃমভাবে হলেও বুঝান "আইলাভু"।
- ফোনে জানান, তোমার দেয়া কষ্ট পেয়ে আমি অসুস্থ হয়ে গেছি। কাল সারা রাত পিজিতে ছিলাম।
- বলুন, তোমাকে ভালোবেসে এই মাত্র ২০ টা ঘুমের অষুধ খেয়েছি(লুলজ)
- পার্টনারকে চাপের মধ্যে রাখার জন্য দিনে ২৪ ঘন্টার মধ্যে ২৩ ঘন্টাই অসুস্থ থাকার ভান করুন।
- আপনার মেকি প্রেমকে বিশ্বাসযোগ্য করতে জানান, "আমাদের রিলেশনের কথা ফ্যামিলিকে জানিয়েছি"। পার্টনার ভাববে, "বাপ্রে! কি সাংঘাতিক পিরিতি"


ধরা পড়ে যাবার পরে(ধরা দেবেন না কিন্তু; ধরা পড়বেন। আপনি কি এতো বোকা না কি যে ধরা দিবেন? হুহু!)
"এক দিন তুমি পড়বে ধরা রে বন্ধু" এই গানটার মতোই ধরা পড়ে যাবেন একদিন। তখন? আপনার লাম্পট্যের কথা জেনে যাবে সবাই। পরিস্থিতি তখন অনেকটাই আপনার আওতার বাইরে। কি করবেন এখন?

আলাদা আলাদা ভাবে দুই পার্টনারকে সময় দিন।
- (হাউ মাউ করে কান্নাকাটি করে)। আমি পা ফস্কে ফেলেছি। ফিরতে চাই। (মাগনা উপদেশঃ first deserve then desire)
- শেষ পর্যন্ত আমি তোমাকে চাইছিলাম।
- ওর সাথে ডেট-এ গেলেও আসলে আমার চিন্তা চেতনায় কেবল তুমিই ছিলা।

** বিদ্রঃ দুই পার্টনারকেই এটা বলতে হবে। মানে হাতে রাখতে হবে দুইজনকেই।

পার্টনার তখন অনেক সচেতন। সে আর ভুল করতে রাজি না। ইমোশোন হয়েছে অনেক। এবার সে আপনাকে বলতে পারে-
- সরি। এবার ফিরে আসতে চাইলে ঐ ছেলে/মেয়েকে ব্লক করতে হবে। পারবা?
কিন্তু আপনি তো মহা ধুরন্দর। এইবারও পিছলাবেন। বলতে পারেন নিচের কথাগুলো।
- দেখো সেও ভালো ছেলে। তাকে কিভাবে ব্লক করবো?
পার্টনারঃ আচ্ছা তাহলে আমি ঐ ছেলে/মেয়ের সাথে কথা বলবো এবার। সব জানিয়ে আবার তোমাকে ফিরিয়ে নেবো।
- না। (কান্নাকাটি)

দুই যায়গায়ই এই কথোপকথন চালিয়ে যাবেন।


ধরা পড়ে যাবার পর স্বাভাবিকভাবেই চারদিকে ছিঃ ছিঃ রব উঠবে। অনেকেই অনেক কথা বলবে। জাতীয় পত্রিকায়ও হাসাহাসি হতে পারে আপনাকে নিয়ে। এসব শুনে আপনার কুম্ভকর্নের ঘুমে থাকা আত্মসম্মানবোধ হঠাৎ জেগে উঠবে ক্ষনিকের জন্য। অভিমানের স্বরে বলবেনঃ
- ওমুক আমাকে নিয়ে খারাপ কথা বলে। তাই অমুক খারাপ।(আসলে খারাপ কে?)
- তমুক আমার চরিত্র নিয়ে কথা বলে। আমার চরিত্র খারাপ হলেই কি প্রশ্ন তুলতে হবে? তমুকও বদ।
- ছিহ! এভাবে সবাই হাটে হাড়ি ভাঙ্গে?

এক পর্যায়ে পার্টনার অথবা পার্টনারদ্বয় বুঝে যাবে আপনি কি। মুখোশ উন্মোচিত হবে আপনার। আপনার সাথে দুরত্ব সৃষ্টি করবে সে/তারা।

সব শেষে "এই তোমার ভালোবাসা?" বলে আপনি ফুটে যান।
"চোরের মা-র বড় গলা" কথাটাকে মনে করুন। আপনাকেও এমন হতে হবে। গলার সাউন্ড কমানো যাবে না একদম। উচু স্বরের কথা দিয়ে নিজের লাম্পট্যকে ঢেকে রাখার চেষ্টা করে যান।


ও হ্যা। পুংটা ছেলেপেলে আপনাদের মতো মানুষের মুখোশ উন্মোচন করে এরকম পোস্ট দিয়ে দিতে পারে।
পোস্ট দেখে মুখ কুচকে বলুন ছিহ(যথারীতি হ-এর উপর জোর দিয়ে)। তারপর খেয়াল করে দেখুন "ছিহ"টা আপনার দিকেই ছুটে আসছে।
তারপর কনফিডেন্স এর সাথে বলুন "আমার লাইফ নষ্ট করতে পারবে না কেউ"(ফর ইউর কাইন্ড ইনফরম্যাশন, পচা আলুকে আর পচানো যায় না। সুতরাং কেউ আপনার লাইফ নষ্ট করছে না। বরং এই পোস্টটাকে ধরে নিন পচা আলুর জন্য এক বোতল ফরমালিন হিসেবে)

উপরের পুরো প্রক্রিয়া কারো কৃতকর্মের সাথে সম্পুর্ন বা আংশিক মিলে গেলে ঐ পারভার্টের কুৎসিত মুখ বরাবর থাকলো আমার মুখের এক দলা থু থু।

সুত্র

>কিভাবে বুঝবেন আপনার পাঠানো মেইল প্রাপক পড়েছে কিনা?

এর দ্বারা পোস্ট করা Shuvo / Category:

আপনি কাউকে মেইল করেছেন, সেই মেইলটি প্রাপক পড়েছে কিনা তা স্বাভাবিকভাবে জানার উপায় নেই। এমন কোন পদ্ধতি যদি থাকতো যে মেইল পড়ার সাথে সাথে আপনি জানতে পারবেন তাহলে কেমন হতো! ‘স্পাই পিগ’ দ্বারা এমনই সুবিধা পাওয়া যাবে।
ধাপ১) এজন্য www.spypig.com এ আপনার মেইল ঠিকানা দ্বারা রেজিষ্ট্রেশন করতে হবে।
ধাপ২) বাম পাশের প্যানেলে MySpyPig Factory এ ক্লিক করে Your email address এ আপনার মেইল ঠিকানা (যে ঠিকানাতে মেইল পড়ার তথ্য জনতে চান)।
ধাপ৩) Your message title এ মেইল শিরোনাম দিন।
ধাপ৪) Select your SpyPig tracking image এ ছবি নির্বাচন করুন। এই ছবিটিই মেইল পড়ার বিষয়টি ট্রেকিং করবে, যা মেইলের সাথে মেইল করে পাঠাতে হবে। আপনার চাইলে আপনার পছন্দের ছবি যুক্ত করতে পারেন।
ধাপ৫) Click to Create My SpyPig বাটনে ক্লিক করুন।
ধাপ৬) এখন ৬০ সেকেন্ডের মধ্যে নিচের ছবিটি কপি করে আপনার মেইলে অথবা মেইল সিগনেচারে পেষ্ট করুন।
এবার আপনি কাউকে মেইল পাঠালে প্রাপক মেইল পড়ার সাথে সাথে SpyPig Notification নামে একটি মেইল আসবে। এই মেইলটিতে প্রাপকের মেইলটি পড়ার সময়, প্রাপকের অবস্থান, কতবার পড়েছে (সর্বোচ্চ ৫বার), প্রাপকের আইপি এবং অ্যাপলিকেশনের (ব্রাউজার, অপারেটিং সিস্টেম) তথ্য আসবে।

স্টিভ জবসের চলে যাওয়া, আমাদের শোক এবং কিছু ছবি

এর দ্বারা পোস্ট করা Shuvo / Category:

আসলে এই পৃথিবীতে কারও জন্য কিছু থেমে থাকেনা। তারপরেও এই পৃথিবী থেকে কিছু মানুষের চলে যাওয়া কখনো পূরণ হবার নয়। তেমনি ভাবে আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন "স্টিভ জবস"। মাউস নিয়ন্ত্রিত আইকন ভিত্তিক ব্যক্তিগত কম্পিউটার, অ্যাপল ম্যাকিন্টস, আইপড, আইপ্যাড এবং আইফোন উদ্ভাবণের মাধ্যমে স্টিভ জবস বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তি বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন। অ্যাপল ই প্রথম কম্পিউটার জগতে নিয়ে আসে রঙ, রূপ, স্মার্টনেস আর ব্যবহারবান্ধব প্রযুক্তি। কম্পিউটার অ্যানিমেশন ও কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত বিভিন্ন মেশনের ব্যবহার করে পিক্সার স্টুডিওকে দেন নতুন প্রান, পরিণত করেন পৃথিবীর সেরা সিজিআই এনিমেশন স্টুডিওতে। তার অক্লান্ত পরিশ্রম আর কল্পনা-প্রযুক্তির সমন্বয়ে পিক্সার স্টুডিও থেকে মুক্তি পায় টয় স্টোরি, এ বাগস লাইফ, টয় স্টোরি-২, মনস্টার ইঙ্ক, ফাইন্ডিং নিমো, ইনক্রেডিবলস, টয় স্টোরি-৩ এর মত বিশ্ব কাপাঁনো অসাধারণ সম্পূর্ণ এনিমেশন চলচিত্র। শুধু তাই নয়, তিনি ছিলেন জীবণ সংগ্রামের এক আদর্শ দৃষ্টান্ত। পুরো বিশ্বই আজ (৬ অক্টোবর) হারালো প্রযুক্তিবিশ্বের এই অপূরণীয় মহানায়ককে। তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছু ছবি সবার সাথে শেয়ার করলাম।













































সূত্র